বদনার চাইতে প্লেটে বা গ্লাসেও বেশি জীবানু থাকতে পারে

বদনার চাইতে প্লেটে বা গ্লাসেও বেশি জীবানু থাকতে পারে

বাসায় আসছেন আমার, মেহমান আপনে, খাওয়াইতে তো হয়! ডাইনিং টেবিলে বইলেন আমার লগে। দেখলেন, টেবিলে একটা বদনা, পানির জগ হিসাবে ইউজ করতেছি আমরা, আপনারে গ্লাসে ঢাইলা দিলাম পানি। আরেকটা বদনায় পাতলা ডাইল। টেকনিক্যালি বদনায় সুবিধা অনেক তো! কেমন লাগবে আপনার? ভাত-পানি খাইতে অসুবিধা হবে কোন, হইলে কেন? ক্লিনলিনেসের সায়েন্টিফিক হিসাব দিয়া ভাবেন, বদনা তো পুরাপুরি …

আরেক কদম দেবার টাইমও হইছে

আরেক কদম দেবার টাইমও হইছে

নাটক সিনেমার জেনার হিসাবে কমেডির একটা ব্যাপার আছে। সমাজে একটা নয়া কনসেপ্ট ছড়াইতে কমেডি সবচে ভালো। লোকে কমেডির মজার কথা কয়, কিন্তু নয়া কনসেপ্ট আনতে কমেডি ইউজ করার আসল কারণ আরেকটা। ১/২ বছর আগে হলিউডের ‘দ্য ইন্টার্ন’ সিনেমা লইয়া ভাবেন। বুড়া মানুষের এক্সপেরিয়েন্স কামে লাগাবার একটা প্রস্তাব দিতেছে দ্য ইন্টার্ন। লগে আরো কয়েকটা ব্যাপার আছে। …

রক মনু

ক্লাসিক বাংলা লিটারেচারের মরণে আমরা যা হারাইলাম-১

১৯৩৫ সালে বৃটিশ ভারতের সরকারি ভাষা হয় ইংরাজি, তার আগে আছিল ফার্সি। ৩৫ সালে বাংলার যাগো বয়স ১০-১৫, তাগো মাঝে যারা বর্ণহিন্দু–বামুন বা ক্ষত্রিয় বা বৈশ্য, এনারা ফার্সি ভাষা জানতেন। বিদ্যাসাগর মনুসংহিতা পইড়া জানাইছেন, কায়স্থরা শূদ্র, কিন্তু বাংলার কায়স্থরাও ফার্সি শিখতেন। বর্ণের লগে রিলেশন খুব পোক্ত হয়তো আছিল না, যাগো পয়সা আছিল তাগো পোলারা ফার্সি …

ছফার হিম্মত নাকি খালেদার ডিসেন্সি, আফসোস এবং উইট

ছফার হিম্মত নাকি খালেদার ডিসেন্সি, আফসোস এবং উইট

নিচে খালেদা জিয়ার লগে ছফার একটা কাহিনি পড়েন। এইটা ছফানাগরেরা গলা উঁচাইয়া কন প্রায়ই, এই নাকি ছফার হিম্মতের গপ্পো। তা ছফার হিম্মত তো আছিলোই, কিন্তু গপ্পোটা তো আরো বেশি খালেদার! খেয়াল করেন, ‘অশিক্ষিত’ খালেদা ‘আতেল’ ছফারে খুবই উইটি জবাব দিছেন। ছফানাগরেরা তো আর ভাবতে নারাজ, কিন্তু ভাবেন তো, খালেদার জবাবে ছফা তখন কি কইছিলেন? ছফানাগরেরা …

গোস্বা

গোস্বা

এইখানে আসছিল একবার দরিয়ার তুফান, আর তো আসে না! পার্মা মরমী কান্দে, গোস্বাভরা কান্দনে কয় মরমী– “আসতেছে না ক্যান!”। ————————- সেই তুফান ভিজাইয়া গেছিল মরমীর পা, আঙুলের ফাঁকে দিয়া গেছিল কিছু বালি। আর তো আসে না, কান্দে মরমী– তুফানেরে ফিরাইয়া দেবে এ বালি কেমনে! এমনো গোস্বা পারে মরমী! তুফানের লগে গোস্বা– দরিয়ার লগে গোস্বা নাই …

চ্যারিটি বনাম বিজনেস

চ্যারিটি বনাম বিজনেস

দান-খয়রাতি বা চ্যারিটি টাইপের কামগুলারে বিজনেস বানাইয়া দিছে ডেভলাপমেন্ট ডিসকোর্স আর ক্যাপিটালিজম। এনজিওগুলার কথা ভাবেন। নন-প্রোফিট চ্যারিটি যেন, কিন্তু খুবই ভালো বিজনেস আসলে! এখন যদিও একটু পড়তির দিকে, কিন্তু অনেক ব্যবসাই তো করা হইছে। ডেভলাপমেন্ট ডিসকোর্সের লগে এনজিও বুম করার ডাইরেক্ট খাতির থাকলেও দুনিয়ার এই দিকে আদি এনজিও’র একটা মনে হয় বানাইছিলেন বেগম রোকেয়া! রঠার …