ডোনেটিং মাই আইজ টু ফরহাদ মজহার

ডোনেটিং মাই আইজ টু ফরহাদ মজহার

ফরহাদ মজহার উবাচ (মানে কইলেন), রাষ্ট্রে ইসলামকে স্বীকার করতে হবে; আরো উবাচ, রাষ্ট্রে ধর্মকে স্বীকার করতে হবে। কিন্তু ‘স্বীকার’ করা দিয়া তিনি ঠিক কী কইছেন, জানেন কেউ? আমি দেখি নাই; তার মানে, উনি কইতেও পারেন, আমি জানি না। কইয়া থাকলে কেউ জানাইয়েন। কিন্তু একটা অর্থ নিশ্চই পাইতে পারি ওনার দাবির; যে, রাষ্ট্রে ইসলাম স্বীকার করা …

আরে! নিজেরা নিজেরা কী করতেছিলাম আমরা? আমরা তো সবাই ছফা!

আরে! নিজেরা নিজেরা কী করতেছিলাম আমরা? আমরা তো সবাই ছফা!

তাইলে ‘লুঙ্গিপড়া কবি’ ফরহাদ মজহারের রূপক, আর ‘ঝুঁটিবাধা পুরুষ’ ড. সলিমুল্লাহ খানের। দুইজনার আরেকটা করে নাম, দিছেন সিদ্দিকুর রহমান খান। ‘ফরহাদ মজহার’ বা ‘সলিমুল্লাহ খান’ও রূপক, প্রাইমারি রূপক; কিন্তু সমাজ এদের দিছে অর্থের মর্যাদা। সিদ্দিকুর রহমান খান প্রাইমারি রূপক ব্যবহার না কইরা সেকেন্ডারি রূপক ইউজ করছেন, এই ক্ষেত্রে উনি রূপক দিয়া অর্থে পৌঁছাইছেন। তাতে সমস্যা …

রক মনু

শাহবাগ কই যায়?*

“পাকিস্তান ডেজার্ট কি মাছলি” বা “ইন্ডিয়ান জনতা কি হনুমান” নামে দল বানাইয়া বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে কি? যাবে না। নাকি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে “ইন্ডিয়ান জনতা কি হনুমান” দলটাকে রাজনীতি করতে দেবে আর বিএনপি থাকলে “পাকিস্তান ডেজার্ট কি মাছলি”? না। এই এই নামের কোন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। ইস্যুটা এই না যে …

মোক্ষম মোক্ষম সব বিয়া করেন সবাই

মোক্ষম মোক্ষম সব বিয়া করেন সবাই

শীলা এবং আসিফ নজরুলকে ধন্যবাদ, এই কাপল আমাদের সমাজকে বুঝবার জন্য দরকারি ভালো একটা ইভেন্ট তৈরি করলেন। চলেন সমাজ নিয়া বোঝাবুঝিটা একটু রিনিউ করি। এই সমাজ ছিলো গুলতেকিনের সহমর্মী; শাওন এবং হুমায়ুন আহমেদকে বেশ গালাগালি করছিলো এই সমাজ। আসিফ নজরুলকে বিয়া করে শীলা এখন একান্তভাবেই হুমায়ুন আহমেদের মেয়ে হয়ে গেলো; তখনকার গুলতেকিনের মেয়ে হয়ে গেলো …

বাংলা ভাষার আধুনিকায়ন: ভাষিক ঔপনিবেশিকতা অথবা উপনিবেশিত ভাষা

বাংলা ভাষার আধুনিকায়ন: ভাষিক ঔপনিবেশিকতা অথবা উপনিবেশিত ভাষা

ভাইভার সময় মানস চৌধুরী বোর্ডে ছিলেন (সুপারভাইজর উপস্থিত থাকেন)। সেইখানে আমার সবিশেষ বেযোগাযোগ উনি বেমালুম চাইপা গেলেন। কী কী যেন ভুল বুঝাইলেন অন্য পরীক্ষকদের। সেই কারণেই সম্ভবতঃ আমি পাশ করতে পারছিলাম শেষ পর্যন্ত। এইটা নির্ঘাৎ ওনার একটা ট্রিক আছিলো, আমারে কৃতজ্ঞ করবার। সন্দেহ হওয়ায় আমার আর কৃতজ্ঞ হওয়া হয় নাই।

রক মনু

গরীবের রক্ত চোষা গরীবের জন্য ভালো

১৯৭৬ সালে ইন্ডিয়ায় জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ করা হয়; কিন্তু নয়া দিল্লির বান্ধুয়া মুক্তি মোর্চা [http://www.swamiagnivesh.com/bonded.htm] বলছে, ১৪ বছরের নিচে সাড়ে ছয় কোটি এবং ১৪ বছরের উপরে ৩০ কোটি আবালবৃদ্ধবনিতা ইন্ডিয়ায় জবরদস্তি শ্রমিক। বান্ধুয়া মুক্তি মোর্চা থেকে জাতিসংঘ পর্যন্ত বহু মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান একে বলছে ‘কন্টেম্পরারি স্লেভারি’। সব ধরনের গবেষণায় এই ‘কন্টেম্পরারি স্লেভারি’র যে কারণটি কমন থাকছে …