THE SKIN I LIVE IN (দ্য স্কিন আই লিভ ইন)

ইন্টারেস্টিং মুভি।

প্লাস্টিক সার্জন বান্দারাসের মেয়েকে রেপ করে একটা ছেলে। মেয়েটার মেন্টাল ডিজ-অর্ডার হইয়া যায়, পরে মারা যায়। বান্দারাস রেপিস্ট পোলারে কিডন্যাপ করে। পরে সেক্সুয়াল সার্জারি করে, মানে ভ্যাজাইনোপ্লাস্ট্রি করে মেয়ে বানাইয়া দেয়, নিজেই সেই মেয়ের প্রেমে পড়ে। শেষে মেয়েটা বান্দারাসরে খুন করে। কাহিনী সংক্ষেপে এইটুক। 

-------------------------

 বুঝতেই পারছেন, কন্টেম্পোরারি একটা জিনিস– ভ্যাজাইনোপ্লাস্ট্রি নিয়াই কাহিনী মুভির। কিন্তু ইম্লিসিট একটা থিম আছে মুভির, কোথাও বলতে শুনি নাই অবশ্য; আমারি মনে হইছে মুভি দেইখা। থিমটা হইলো জাস্টিস। জাস্টিসের আইডিয়া অবশ্য সব ছবিতেই খেয়াল করলে পাওয়া যায়। কিন্তু এই মুভিতে বিশেষ এক প্যাচ এবং ধারাবাহিক পাপ আর জাস্টিস আছে।

বিয়ের আসর থেকে মেয়েটা প্রেমিকের সাথে পাশের বাগানে যায়; এই যেনবা একটা পাপ করলো মেয়েটা; তার শাস্তি পাইলো মরায়। ছেলেটা রেপ করে পাপ করলো; এর শাস্তি হওয়া দরকার। ডিরেক্টর তার ব্যবস্থা করেন। ব্যবস্থা করতে যাইয়াই ডিরেক্টর প্যাচাইয়া ফেলেন;  ভ্যাজাইনোপ্লাস্ট্রি করা হয় মেয়েটার। তাতে মনে হইতে পারে এইটাই শাস্তি; তখন অর্থ দাঁড়ায় মাইয়া হওয়াটাই একটা শাস্তি–জন্মপূর্ব কোন একটা পাপের! ডিরেক্টেরের জন্য এই অর্থ আরামের হয় নাই সম্ভবত। ডিরেক্টর তখন এই মেয়ে বানানো ছেলেটারে রেপ করাবার ব্যবস্থা করেন। মেয়েটা রেপড হন। রেপ করে বান্দারাসের সৎ ভাই। কিন্তু এইটারে আসলে ডিরেক্টরের রেপ বলা যায়! পুরাই অদরকারী একটা রেপ; জাস্টিস নিয়া ঝামেলায় পইড়া ডিরেক্টর করছেন!

বান্দারাসের সৎ ভাই আবার আরেক পাপের ফসল। বান্দারাসের মা বাড়ির চাকরের সাথে সেক্স করছিলো; তাতেই এই ছেলের জন্ম। সৎ ভাইরে বান্দারাস খুন করে–পাপের ফল পাইলো আরেকজন। বাকি রইলো বান্দারাস আর তাঁর মা। বান্দারাসের পাপ হইলো একটা ছেলেরে  ভ্যাজাইনোপ্লাস্ট্রি করা। ফলে সে মরে। মাকে পাপের ফল দেবার জন্য মেয়েটার মাধ্যমে ডিরেক্টর মাকেও খুন করায়।

ডিরেক্টর কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারে নাই! মেয়েটা যে বাইচা থাকলো! তাঁর বেলায় জাস্টিস তো গোল্লায় যাইতে পারে না! এর অর্থ মেয়ে হিসাবে বাইচা থাকাই তাঁর শাস্তি। অর্থাৎ ডিরেক্টর এই মুভি দিয়া আল্টিমেটলি সাজেস্ট করছে যে, জগতের মেয়েরা কার্সড লাইফ লিড করে!