মাইকেল কর্লয়নি ইতালিতে নির্বাসিত

ডন ভিটো কর্লয়নির বউ এবং তাঁর ছোট ছেলে মাইকেল কর্লয়নি ইতালিতে নির্বাসিত। দুই পুলিশ খুন করছিলো মাইকেল, সেই অভিযোগে মাইকেলরে খোঁজে নিউ ইয়র্কের পুলিশ। তার আগে ডন নিজে গুলি খাইছেন ফল কিনতে যাইয়া, ওনাদের বড় ছেলে সনি মার্ডার্ড, মেঝ ছেলে ফ্রেডো অপদার্থ। ডন তখন পরাজয় স্বীকার কইরা চুক্তি করলেন নিউ ইয়র্কের অন্য মাফিয়া পরিবারগুলির সাথে। এবং মাইকেলরে আমেরিকায় আনার উপায় খোঁজা শুরু করলেন।

বোচ্চিও পরিবার ঠিক মাফিয়া না, মাফিয়াদের সাথে ব্যবসা করে; মাফিয়া পরিবারগুলির মধ্যে বিভিন্ন চুক্তির জামিন হওয়াই বোচ্চিওদের ব্যবসা। কোন বোচ্চিও যার জামিন হইলো, সে চুক্তি ভঙ্গ করলে বোচ্চিওরা তারে খুন করে; কয়েকজন বোচ্চিও’র জীবনের বিনিময়ে হইলেও। এই কারণে বোচ্চিওদের উপর ভরসা করে সবাই।
তো, এক বোচ্চিও পারিবারিক ব্যবসা ছাইড়া পড়ালেখা কইরা চাকরিজীবী জীবন বাইছা নেয়। বউ-বাচ্চা নিয়া থাকতে থাকে। এই পরিবার আক্রান্ত হয় ডন ভিটোর এই খারাপ সময়ে। চাকরিজীবী বোচ্চিও তখন আক্রমণকারী সবাইরে খুন কইরা পুলিশের হাতে ধরা খায় এবং খুনের কথা স্বীকার করে।

ডন তাঁর পালিত ছেলে এবং কনসিলিয়রি টম হেগেনরে পাঠায় এই বোচ্চিও’র কাছে; টম যাইয়া প্রস্তাব দেয় বোচ্চিওরে—“তুমি যদি অমুক দুই পুলিশরেও খুন করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার কর তাইলে তোমার পরিবারকে সারা জীবনের ভরণপোষণ দেওয়া হবে।” বিষয়টা নিয়া বোচ্চিও চিন্তায় আছিলো; দুইবার মৃত্যদণ্ড হওয়া কঠিন বিবেচনা কইরা বোচ্চিও রাজি হইয়া যায় প্রস্তাবে।

মাইকেলের উপর থেকে পুলিশ হত্যার অভিযোগ উইঠা যায়; আমেরিকায় ফিরে আসে নির্দোষ মাইকেল।
মারিও পুজো’র গডফাদার ভালো ফিকশন; এই ফিকশন দিয়া বাস্তবতা রিটেন হইতে পারে, বিশেষতঃ খুনি খুঁজে পাওয়ার বাস্তবতা। বাংলায় যাঁরা ডকুমেন্টারি সাহিত্য উৎপাদন কইরা যাইতেছেন তাদের কী উপায় হবে যখন মে বি বাস্তবতার রাইটিং ইন প্রোগ্রেস…

[iframely url=https://www.facebook.com/rk.manu/posts/10151054706917027/]