রক মনু

যা আছে, তারে নাই ভাবায় টাসকি খাইতেছেন :)

ক্যাথলিক চার্চের রোলটা খেয়াল কইরা দেখেন, মানুষ এবং খোদার রিশতার মিডিয়াম হইতেছে চার্চ। রিশতার এই নকশা দিয়া আপনে যদি স্টার বা সেলিব্রেটিদের লগে ফ্যানের রিশতা হিসাব করেন, তাইলে দেখবেন, আগের নিউজপেপার-টিভি-রেডিও আছিল ঐ চার্চের মতো। কিন্তু এই চার্চকে খেদাইয়া রেভল্যুশনারি চেঞ্জ ঘটাইছে সোশ্যাল মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়ারে ঐ নকশার হিসাবে কইতে পারেন প্রটেস্ট্যান্ট খৃস্টিয়ানিটি।

কেবল স্টার আর ফ্যানের বেলায় না, আগের ঐ মিডিয়া আছিল আমাদের তাবত বোঝাপড়ার মিডিয়াম; ঐ মিডিয়ামের ভিতর দিয়া আমরা বুঝতাম জনতা, সমাজ। আমরা তখন যুগ দেখতাম খুব, আমরা দেখতাম, খুব একটা ‘আধুনিক’ যুগে চইলা আসছি আমরা, বহু বহু বর্তমানকে ঐ মিডিয়ার ফুসলানিতে ভাবতাম অতীত! খমতা যার বা যেই ভাবনার হাতে, সেই যেন মাত্র ‘বর্তমান’, বাকি সব ‘অতীত’! কিন্তু সমাজে তো সবই হাজির আছে, কিছুই অতীত হয় নাই। সোশ্যাল মিডিয়া, যেমন ধরেন ফেসবুক আমাদের এখন দেখাইয়া দিতেছে–সেইসব অতীতেরা খমতাবানের সমান তালেই ‘বর্তমান’!

-------------------------

তো, তাসকিনের বাপ হবার ঘটনায় বিয়ার বয়সের আলাপটা বোঝেন এইবার। অনেক পুরানা একটা বোঝাবুঝি, সমাজে আগেও আছিল, এখনো আছে। আগে এইটা মিডিয়ার সেন্সরে আটকাইয়া যাইতো, মিডিয়া নামের ঐ চার্চের পতনে সেই সেন্সর আর কাম করতে পারে না, ফেসবুকের কারণে স্টারের লগে ফ্যানের রিশতা এখন ডাইরেক্ট।

এই ব্যাপারটা মাথায় রাখলে অত মেজাজ খারাপের কিছু নাই; এগুলা আছিল, আছেও, আরো বহুদিন থাকবে। এবং এগুলার এতো জবাব দেওয়া, নিউজ করারও কিছু নাই। বর্তমান আর অতীতের ব্যাপারে আগের ঐ ভুল মিডিয়ার নজরে আটকাইয়া না থাকলে এতো টাসকি খাইতেন না।

#রক_মনু, ১ অক্টোবর ২০১৮