রক মনু

বৃটেন, ভারত আর পাকিস্তানের লগে বাংলাদেশের হালখাতা

বুদ্ধিজীবীদের বহুদিনের কাম লইয়াই জনাব শশীর এই ওয়াজ বানানো হইছে; মজার জিনিস হইলো, সেই ইন্ডিয়া কইতে যাইয়া এখনকার ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ-পাকিস্তান না বইলা পুরাই চাইপা গেছেন, জনাব শশীর লগে গলা মিলাবার সময় আমরা যেন এই আঞ্চলিক রাজনীতিটা খেয়াল করি; যেনবা, কলোনাইজেশনের জন্য বৃটেন যদি মাফ চায়, ক্ষতিপূরণ দেয় তাইলে সেইটা ইন্ডিয়ার লগে ডিল করলেই হয়, সেই ইন্ডিয়ার বৈধ এনটাইটেলমেন্ট যেনবা এখনকার ইন্ডিয়ারই মাত্র।

-------------------------

বৃটেনকে আমাদেরো এগুলি বলা দরকার; বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায়ে বলাবলি আছেও; রাজনৈতিক বলাবলি এখনি ঘটবে না মে বি, অন্তত দেশে ডেমোক্রেসি দিতে রাজি না হইয়া সরকার টিকাইয়া রাখা ওয়ার্ল্ড মুরুব্বীদের লগে ঝগড়া করবে না বাংলাদেশ।

আমরা তো বলিই। বাট, আমাদের জন্য বৃটেন একমাত্র বলাবলির বিষয় না; মোগল আমলের দিল্লির শাসন থেকেই বাংলার শোষণ শুরু হইছে, সেই শোষণের কামাই এখনো ইন্ডিয়া খায়; তাজমহলসহ দিল্লির যত পর্যটন আয় তার ১০-২০% বাংলাদেশের দাবি করা দরকার; পাকিস্তানের কাছে পাওনা টাকা লইয়া আলাপ তো আছেই।

বৃটিশ ভারতের রাজধানী কোলকাতার পর্যটন আয় থেকেও আমাদের পাওনা আছে; একাত্তরের সহায়তারে হিস্যার একটা অংশ ধরা যায় মাত্র।

২৬ জুলাই ২০১৫


ইন্টারকোর্সকে আপনে মিউচুয়াল বেনিফিট হিসাবে দেখতে রাজি? নাকি জুনায়েদদের মতো ‘খাইয়া ছাড়া’ হিসাবে দেখেন?

৭১’র ভারত-বাংলাদেশ ইন্টারকোর্সকে আওয়ামী ইতিহাস জুনায়েদের মন লইয়া দেখে, পুরা তেমন না আলবত, তবে মিউচুয়াল বেনিফিট হিসাবে না কোনভাবে।

আওয়ামী ইতিহাস বাংলাদেশিদের গ্রেটফুল কইরা তোলে, রাখতে চায়; ভারত যেনবা বাংলাদেশকে হেল্প করছিলো, খাওয়াইছে, থাকতে দিছে, বন্দুক-ট্রেনিং দিছে, ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমেটিক সাপোর্ট দিছে। বাংলাদেশিদের প্রতি স্পেশাল পিরিতের কথা কন তারা; তো, সেই পিরিত বর্ডার কিলিং, তিস্তা, ফারাক্কা, রামপালের ব্যাপারে কই থাকে? এইটার ভালো জবাব নাই তাগো কাছে; থাকবে কেমনে, পিরিতের মামলা নাই তো, ছিলও না একাত্তরে।

ভারতের কাছে ৭১ হইলো পাকিস্তানরে ডেমোনাইজ করার, ভাঙ্গার মওকা; রেসিস্ট বেকুব পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ভারতের হাতে সেই মওকা তুইলা দিছে। সো, ৭১ হইলো ভারত-বাংলাদেশ মিউচুয়াল বেনিফিট।

অ-আওয়ামী ইতিহাস পাকিস্তান ইস্যু মাথায় রাখে, গ্রেটফুল থাকার কারণ পায় না তাই। বাট আরো দূরে যাইতে হবে আমাদের; গ্রেটফুল হওয়া তো দূর, ভারতের কাছে আমাদের পাওনাগুলি বুঝতে পারবো আমরা তাইলে।

মুর্শিদাবাদের ট্যুরিস্ট কামাই থেকে শুরু করেন; হাজারদুয়ারি আর মোতিঝিল বানাইতে পূবের বাংলার কত টাকা খরচ হইছে? কোলকাতা বানাইতে? আরো আগে যান; তাজমহলের কামাইয়ের ভাগ পাবো না কেন আমরা? দিল্লির মোঘল সাইটগুলির? ইভেন, মুঘল-ই-আজম সিনেমার কামাইয়ে বাংলাদেশের ভাগ আছে। এইসব কামাইয়ের ছোট্ট একটা ভাগ দিয়াই তো ৭১ সালের থাকার ভাড়া দিতে পারি আমরা, খাবার-স্যানিটেশন সব কিনতে পারি। মিউচুয়াল বেনিফিট হিসাবে না দেখলেও আমরা টাকায় শোধ করছি ৭১, অনেক আগেই; ভারতে এখন জমতাছে আমাদের টাকা, সুদ হইতাছে হরদিন।

ইতিহাস নাড়াচাড়া করলে পাকিস্তানের কাছে টাকা পাইবেন, ইংল্যন্ডের ম্যানচেস্টারেরও ৫ ভাগের একভাগ দাবি করতে পারবেন। আমাদের কোন দেনা নাই, হাজার হাজার কোটি ডলার পাওনা আমাদের। গ্রেটফুলনেস একটা গুণ আলবত, বাট আপনের দেনার ফিলিং-এ কতটা ইতিহাস-বেকুবি রইয়া গেছে তালাশ করেন একটু।

১৮ মার্চ ২০১৬


নভেম্বর ১৫, ২০১৬’র খবর: বাংলাদেশের কাছে ৭০০ কোটি টাকা দাবি করছে পাকিস্তান

গুড। 🙂! যারা জামাতিদের পাকিস্তানে পাঠাইতে চান তারা এখন সরকারকে কইতে পারেন, ওদের অ্যাসেটসহ পাকিস্তানে পাঠাইলেই তো পাকিস্তানের দেনা উসুল হয়!

কেননা, এনারা তো গড় বেকুবের চাইতেও ১ ডিগ্রি নিচে, একাত্তরের দেনা ফিল কইরা ভারতরে বিনা পয়সায় ট্রানজিট দিতে চায়, ফি চাইতে শরমায়! এরা তো ভাবে না মোঘল-নবাবি আমলের পাওনার কথা, সেইসব দিয়া ভারত এখনো কতো ট্যুরিজম কামাই করতেছে!

আশা করি, পাকিস্তানের খুন, লুটপাট, আগুন দেওয়া, ফসল, পালা গরু-মুরগী, রাস্তা-ব্রীজ, ৯ মাসের প্রোডাকশন–এগুলির পাওনাও ওনাদের মাথায় আইবে না… ওনারা পার্সোনাল জাতীয়তাবাদী ঘেন্না চর্চাতেই বিজি থাকবেন… আছিলেন তো, নাইলে জাতিসংঘে আগেই কেন নালিশ করার কথা ভাবে নাই…


পাকিস্তানের বাংলাদেশি সাপোর্টারদের বাস্টার্ড বা ইতর বইলা যারা গালি দিলেন তারা নিশ্চই কল্পনা চাকমার মা-বোন বা চাকমাদের কাছে বা ঘর পোড়াইয়া দেওয়া সাঁওতালদের কাছে বাংলাদেশ দলের সাপোর্ট আশা করবেন না! ঐ অবাঙালরা যদি বাংলাদেশের হারে ফূর্তি করে তাইলে তাগো গালি দেবেন না এনারা; কারণ, এমন ঘটনার যুক্তিটা তো তারা বোঝেন।

আমার আন্দাজটা কি ঠিক আছে, নাকি এই ব্যাপারে এনাদের কসম ভুইলা যাইয়া পল্টি দেবেন তখন!

উল্টাদিকে, পাকিস্তানের লগে কোন ইস্যুই যারা দেখেন না, তারা এমন ঘটনারে কেবল পার্সোনাল ভালো লাগা বইলাই দেখবেন, দেশে বাঙালি বাদে আর সব জাতির উপর রাষ্ট্রের টর্চারের ইতিহাসের লগে কোন যোগাযোগই দেখবেন না।

মোটের উপর, দুই দল পাকিস্তানের ব্যাপারে যেমন পজিশন লইছেন, সেইটা বাংলাদেশের ভিতরের ব্যাপারে লইলে দেশে ‘বাঙালি হইতে না পারা’ লোকেরা একটু আরাম পাইতে পারে। আরামটা অবশ্য খুবই পলকা; কারণ, দল দুইটা যেমন কইরা দেখেন তাতে ঘেন্নাটাই আখেরি রাস্তা–ঘেন্নাতেই আরাম, ইস্যুগুলার ফয়সালার দরকারই নাই কোন! যে আপনারে মারছিল, তারে ঘেন্না করেন, এতো ঘেন্না করবেন যে এখন যে মারে তার মাইর যাতে মালুমই না হয় বা মাইরটা ভুইলা যাইয়া বর্তমানে থাকেন কেবল… আগের বা এখনের ফয়সালা নাই কোন, দরকারই বা কি, আপনে তো ঘেন্না কইরাই প্রতিশোধটা লইয়া ফেললেন!

১৯ জুন ২০১৭


 

বাংলাদেশে বনেদি ফেমিলির ফিচারগুলা কেমন? বনেদি ফেমিলির চেহারা-সুরত কেমন হয়, আমাদের পোলামাইয়ার কেমন চেহারা-সুরত চাই আমরা?

গড়ে দেশের মানুষ ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। গায়ের রঙ গড়ে শ্যামলা। নাক গড়ে আধা-বোঁচা। চুলে কোকড়া ভাব আছে একটু। কিন্তু নিজেদের খোয়াবে আমাদের যেমন পোলামাইয়া দেখি তারা ৬ ফুটের মতো লম্বা, গায়ের রঙ দুধে-আলতা (আমার হিসাবে সেন্ট্রাল এশিয়া, মানে উজবেকিস্তান-তুর্কমেনিস্তানের গড় গায়ের রঙ।), খাড়া নাক, সোজা সিল্কি চুল। কাপড়ের নিচে না গেলাম আর। আমাদের খোয়াব পুরা করতে বহু কসরত করি আমরা; র্ফসা-লম্বা বিয়া করতে চাই। ‘জাতের মাইয়া নাকি কালাও ভালো’–এমন মোলায়েম রেসিস্ট ভাবনা আলগাভাবে আছে একটা; তবে, এর ভিতরেই তো পাইতেছি, জাতের মাইয়া ফর্সা হইলে আরো ভালো। রঙ ফর্সা করার ক্রিম তাই বেশ চলে দেশে।

আমাদের বনেদির লগে টাকাপয়সার সম্পর্ক কম! র্ফসা-লম্বা-খাড়া নাকেই আমাদের বনেদিয়ানার আসল ঠিকানা। এইগুলা কই পাই আমরা? দেশের মোসলমানেরা নিজেদের কনভার্টেড মোসলমান ভাবতে আরাম পায় না; তাইলে বিংলাদেশের একজন বনেদি মোসলমান ফর্সা-লম্বা-খাড়া নাক কই পাইবেন? কনভার্টেড মোসলমান ভাবতে আরাম পাইলে না হয় ভাবতো যে, সে ব্রাহ্মণ/বামুন-ক্ষত্রিয়ের পোলা-মাইয়া! তাতে আরাম যেহেতু নাই, তাই দেশের সব বনেদি মোসলমান দাবি করা ফেমিলিই নিজেদের গোড়া দেখায় ইরান-তুরানে। আমাদের টপ পলিটিক্যাল লিডারদের মাঝেও তালাশ করতে পারেন ব্যাপারটা। জিয়া ছাড়া দেশে কালা লিডার পাইতেছেন কয়জন? ইরান-তুরান দাবি করা লিডার কত পার্সেন্ট? আমাদের দেশে নায়ক-নায়িকা হইতে কেমন চেহারা-সুরত লাগে? রাজ্জাক-ফারুক-আলমগীর-সাবানা-শবনম-ববিতা-মান্না-শাকিব খানরা পর্দায় যেমনে হাজির হয় তাতে ফর্সা-লম্বা-খাড়া নাক পাইতেছেন কিনা! কালা দুয়েকজন পাইবেন ভিলেন হিসাবে, সাদেক বাচ্চু থিকা কাবিলা।

বাংলাদেশ হবার জন্য ১৯৬০-৭০ আমরা একটা কালচারাল মুভমেন্ট করছিলাম। সেই মুভমেন্টে আমাদের কালচারাল খাম্বাগুলা কেমন আছিল? সোজা কথায়, আমরা কোলকাতার এসথেটিক্স হাতাইছি, সেইটাইরেই বাড়াইছি। কোলকাতার এসথেটিক্স কেমন? বামুনদের দখলে। বঙ্কিম-বিদ্যাসাগর-রঠা-শরৎ, মধুসূদণ ছাড়া মোটামুটি সবাই বামুন; এমনকি মার্ক্সের তরিকার পলিটিক্যাল পার্টি সিপিএমও কালা অনার্য নেতা দিতে পারে নাই প্রায়! কালচারে অবামুন সত্যজিৎ আছিলেন, তিনি অন্তত ফর্সা, মধুসূদণের মতো কালা না! কালা মধুসূদণ জমিদারের পোলা হইয়াও নিজেরে ততো বনেদি হিসাবে দাবি করতে পারে নাই, কালা বইলা! হিন্দু থাইকা তো ফর্সা মাইয়া বিয়া করতেই মুশকিলে পড়তেন। হিন্দু থাকার সময়ে ফর্সা গৌরের লগে দোস্তি করছেন, পরে খুস্টান হইয়া আসল প্রতিশোধটা নিছেন ফর্সা হিন্দু এলিটদের উপর। ফর্সা হিন্দু এলিটরা যেই হোয়াইটদের পা ধোয়া পানি খাইতেন, খৃস্টান হইয়া মধুসূদণ সেই হোয়াইট এক মাইয়ার লগে পরকীয়া করছেন, আরো দুই হোয়াট মাইয়ারে বিয়া করছেন!

এই কোলকাতারে নকল কইরা আমরা বাংলা ভাষা থিকা নিজেদের আইডিয়াল চেহারা-সুরত বানাইছি। তাতে আমরা আম বাংলা ডিনাই কইরা সংস্কৃতের খাদেম হইছি, নিজেদের সুরত বানাইছি র্ফসা-লম্বা-খাড়া নাক। আসলে আগে থিকাই তাই আছিলাম, ১৯৬০-৭০ আমাদের মওকা আছিল ঐ রেসিস্ট-এলিটিস্ট ভাবনা-এসথেটিক্স ফালাইয়া দেবার, আমজনতার বাংলা লইয়া নিজেদের কালচারাল ফর্মেশন ঘটাইতে পারতাম আমরা, নিজেদের কালচারাল চেহারা-সুরতে আমজনতার কাছে যাইতে পারতাম আমরা। যাই নাই। আমরা ফর্সা-লম্বা লিডার-নায়ক-নায়িকাই বানাইতে থাকলাম।

এখন আপনে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ছবিতে চাইয়া দেখেন, আপনের খোয়াবের বনেদি চেহারা-সুরত পাইতেছেন? কয়দিন আগে এক আরব কইছেন, পাকিস্তানীরা সহি মোসলমানই না! কিন্তু আমাদের কাছে তো খোয়াবের ষোলআনাই, সাক্ষাত ইরান-তুরান!

আমরা যে জাতীয়তাবাদ বানাইছি তাতে তো এই দেশের গড় মানুষ নাই, ভাষা নাই, চেহারা-সুরত নাই। এই জাতীয়তাবাদে এই জাতির চেহারা-সুরত এই দেশে গজায় নাই। এই জাতির আইডিয়াল চেহারা-সুরত ১০০ পার্সেন্ট পাকিস্তান ক্রিকেট দলের লগে মিলতেছে। আজকে পাকিস্তানের বাংলাদেশি সাপোর্টারদের যারা গালি দিতেছেন তাদেরও খোয়াবের চেহারা-সুরত তেমনি। এনাদের জাতীয়তাবাদী আম্মা-আব্বারাই ঐটা বানাইছে! সো সব গালি জাগা মতোই পড়তেছে।

এসথেটিক্স মনের একদম তলার ব্যাপার, খুন-রেপ-মাইর এসথেটিক্সকে হারাইতে পারে না। স্বামী-ভাতার-পতির ব্যাপারে আমাদের কালচার যেই এসথেটিক্স বানাইছে সেইটা দিয়াও বুঝতে পারেন। নিত্য মাইর-রেপের পরেও সেই ভাতারকে ভালবাসতে থাকে বউ, বাধ্য হইয়া থাকে তেমন কইতে পারবেন না কেবল! ঢাবির মাস্টার রুমানা মঞ্জুরের কথা ভাবতে পারেন, ভাতারের মাইরে যার চোখ গেছিল; পোলা-মাইয়ার যে বাপ লাগেই–এইটাও এসথেটিক্স!

এই রেসিস্ট-এলিটিস্ট এসথেটিক্স ফালাইয়া দিয়া দেশের আমজনতার এসথেটিক্স বানাইতে না পারলে পাকিস্তানের সাপোর্ট আরো বাড়বে, ভারত ফ্যাক্টর নিশ্চই তাতে বাড়তি ঘিও ঢালতে থাকবে।

২০০০ সালের আশেপাশে কতগুলা দেশি স্যাটেলাইট চ্যানেল হওয়ায় আমরা হাসান মাসুদ বা ফজলুর রহমান বাবু বা মোশারফ করিমের মতো কালা-শ্যামলা নায়ক পাইছিলাম, ধীরে নায়িকাও হয়তো পাইতাম! আমজনতার বাংলাও পাইছিলাম। কিন্তু এখন ফর্সা-লম্বা সুরতের নায়ক-নায়িকার তুর্কি সিরিয়ালের কোলকাতাই বাংলায় ডাবিং হইতেছে দেদার, যৌথ প্রযোজনার নামে সেই ফর্সা-লম্বারাই আবার পুরা দখলে নিতেছে দেশের এসথেটিক্স ভুবন! তাতে নিশ্চই আফ্রিদিদের আরো ভালো লাগতে থাকবে আমাদের। ভালো লাগার গ্রামার বোঝেন।

 

#রক_মনু, ২০ জুন ২০১৭