রক মনু

খুচরা আলাপ: দেশের রাজনীতি

মার্চ ৫, ২০১৫

বাংলাদেশের রাজনীতিতে রিলিজিয়ন একটা অব্যর্থ ট্রাম্পকার্ড–ধারনাটা লালনের জন্য আপনার লালনের মতোই ইতিহাসরে এড়াইয়া থাকতে হবে।

-------------------------

১৯৬০ দশকে আওয়ামী লীগের সাকসেস বা পশ্চিম পাকিস্তানে ভুট্টোর পিপলস পার্টির সাকসেস মনে থাকলে অমন একটা ধারনা থাকতে পারে না আপনার; আমাদের সচেতনতাগ্রস্ত মাসিপিসি বুদ্ধিজীবীদের ঘুমউদ্রেককারী চিন্তা এড়াইয়া যদি আপনে ইতিহাস পড়েন তাইলে বুঝতে অসুবিধা হবে না আর।

১৯৫৪ সালেই মুসলীগ লীগরে হারাইছে সোহরাওয়ার্দী-ভাসানির আওয়ামী মুসলীগ লীগ; পরে মুসলীম শব্দ বাদ দিয়া আরো ক্লিয়ার স্টেটমেন্ট দেবার পরেও আওয়ামী লীগরে দমাইতে পারে নাই মুসলীম লীগ। ৬৫ সালের যুদ্ধের পরেও এবং মুসলীম শব্দ বাদ দেওয়া এবং ভারতের লগে বিবিধ সম্পর্ক নিয়া মুসলীম লীগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তুমুল প্রচার করার পরেও কাম হয় নাই; এইখানকার মানুষ, বিশেষ করে বাংলা বুলির লোকেরা আওয়ামী লীগরে ভোট দিছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও রিলিজিয়ন বাঁচাবার শ্লোগান দিয়া রাজাকার-আল বদরে রিক্রুটমেন্ট চালাইছে পাকিস্তানীরা; বেশি লোক পায় নাই, প্রচুর খুন-টুন কইরাও কাম হয় নাই বিশেষ।

আমরা তাইলে কেন মানবো যে, রিলিজিয়ন এক অব্যর্থ ট্রাম্পকার্ড? এর লগে আরো একটা ব্যাপার খেয়াল করতে পারি আমরা; শেখ হাসিনা ২০০৬/৭-এ খেলাফত মজলিসের লগে নির্বাচনী জোট বানাইছিলো তখন ঐ বুদ্ধিজীবীদের মন খারাপ হইছিলো; তাঁরা হাসিনারে আপোষ করতে দিতে রাজি হয় নাই। সম্ভবত সেই একই দল এই ট্যাম্পকার্ড থিয়োরি লালন করেন। সেই একই দল ২০১৩’র শাহবাগে জামাতরে নিষিদ্ধ করার দাবি করতে যাইয়া ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা বলছিলো; ধর্মব্যবসা তাদের প্রিয় এক টার্ম। তারা খেয়াল করতে রাজি হয় না যে, ধর্ম ইস্যু দিয়া যদি জামাতরে নিষিদ্ধ করতে হয় তাইলে সেইখানে একাত্তর/মুক্তিযুদ্ধ বা বাংলাদেশ পয়দা হওয়ায় জামাতের বিরোধিতার ব্যাপারটা নাই হইয়া যায়; আবার, জাকের পার্টি থেকে খেলাফত মজলিস পর্যন্ত দলগুলিকে জামাতের লগে জোট বানতে আগাইতে হয়। জামাতরে আর একলা পাওয়া যায় না, বাংলাদেশের জনমের বিরোধিতাকারী হিসাবে তারে আর নিষিদ্ধ করা যায় না।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৭

লোকে ভাবে, আওয়ামী লীগের একটা মুসিবত হইলো, দেশের ধার্মিক মোসলমানদের লগে খাতির রাখা। খোদ আওয়ামী লীগের ভিত্রেই এই ভাবনাটা আছে।

আর বিএনপির মুসিবত হইলো, দেশের মডার্ন/মোসলমানদের লগে খাতির করা।

বিএনপির বেলায় অনুমানটা ঠিক আছে মোটামুটি, কিন্তু আওয়ামী লীগেরটা ভুল।

১৯৫৪ বা ১৯৭০ সালের ইলেকশনেই লীগ ঐ মুসিবত ওভারকাম করায় কামিয়াব হইছে পুরাপুরি। এমনকি পাকিস্তান আমলেও কোন ইলেকশনে ধর্ম কোন ফলাফল ঠিক কইরা দেওয়া ইস্যু হইতে পারে নাই, বাংলাদেশেও না।

কিন্তু ভাবনা দুইটা থাকার ফল বেশ খারাপ। ঐ কারণে লীগ বেশি বেশি দিয়া খাতির রাখতে চায়। বোর্ডের বই বা ‘গ্রন্থমেলা’য় পুলিশের বই পড়ার ঘটনায় এই বাড়তি পিরিত সাফ সাফ দেখা যাইতেছে। এবং এইটা ঘটতে পারতেছে দেশে গণতন্ত্র সাসপেন্ডেড থাকায়। গণতন্ত্রের বদলে লীগ স্রেফ সামরিক/বেসামরিক আমলা, বিদেশি, ধার্মিক এবং মডার্ন মোসলমানের লগে খাতির রাইখা গদিতে থাকতে পারতেছে।

ওদিকে, বিএনপি বিদেশি আর মডার্ন মোসলমানের লগে খাতির করতে মরিয়া। বিদেশিদের লগে খাতির করার ব্যাপারটা পাবলিক হয় না ততো, গোপনে। কিন্তু মডার্ন মোসলমানের লগে খাতির করতে চাওয়া বেশ দেখা যায়। যেমন, রামপাল ইস্যুতে জাতীয় কমিটির লগে খাতির করতে চাইতেছে; অথচ ইস্যুটারে বিএনপি লইলে জাতীয় কমিটি সিনের ব্যাকগ্রাউন্ডে চইলা যাবার সম্ভাবনা! রিস্ক হইলো, বিদেশিদের লগে খাতিরে প্রোবলেম হবে।

এখন আবার দেখা যাইতেছে, সুরঞ্জিত ইস্যু। যেনবা, সুরঞ্জিতের মরণে অতি ব্যথা পাইয়া মডার্ন মোসলমানের লগে খাতির করা যাবে!

কিন্তু এতে বিএনপির ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি। বিএনপি যে মডার্নদের নাপছন্দ, লীগের তুলনায়, সেইটা একান্ত তাগো বেকুবি এবং ইতিহাস না বোঝার ফল। বিএনপির ঐসব চেষ্টায় বিশেষ নয়া ফলও দেখতেছি না তো!

ওদিকে এই অতি ইমোশনাল বেকুব মডার্ন মোসলমান বাদেই বিএনপি ইলেক্টেড হইতে পারছে তো দুইবার! বিএনপি খাতির করতে গেল, জাতীয় কমিটি নিল না। আবার গেল সুরঞ্জিত ইস্যুতে। এমন চলতে থাকলে দেখা যাবে যাগো ভোট বিএনপি অলরেডি পায় তাগো ভরসাও হারাইয়া ফেলবে! লীগ অলরেডি তাগো লগে খাতির জমাইতেছে!

বিএনপির দরকার গণতন্ত্র, মডার্নদের দরকার ইতিহাস বোঝা। ইতিহাসবেকুব মডার্নরা হায়াত না থাকায় মরতেছে এমনিতেও, কালচারাল রিপ্রোডাকশনও নাই, কিন্তু বিএনপি গণতন্ত্রের দরকারটা ততো না বুইঝা এর-তার লগে খাতির জমাইতে চাইতেছে। এইসব খাতির না করলে গণতন্ত্র আইতে দেরি হইতে পারে, কিন্তু খাতির তো জমতেছেই না, উল্টা খাতির যাইতেছে আরেকদিকে! রাস্তা পাইতে আরো ভাবতে হবে বিএনপিকে।

মে ২১ ২০১৫

এডুকেটেড মডার্ন, রেশনাল, সচেতন মানুষজনকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং সবচে সহজ মনে হয়; একটা রেশনাল কারণ দেখানো যাইতে পারে যে, যেহেতু এদের ইমোশন এড়াবার ট্রেনিং দেওয়া হয় তাই এরা ইমোশন ডিল করার রেশনাল ওয়েটা শিখতে পারে না।

যেমন, নির্বাচনের ভিতর দিয়া পয়দা না হওয়া, গণতন্ত্রবিরোধী বর্তমান সরকার হিজড়াদের পুলিশে ঢুকাবার ডিসিশন নিয়া অমন সব মানুষেরই বাহবা পাইতাছে। পুরানা টেকনিক এইটা, ডেমোক্রেসি ভাবনার বিচারে অবৈধ ক্ষমতায় থাকারা এই স্ট্রাটেজি বেশি ইউজ করে, করতে হয় আসলে; কেননা, ঐ মানুষগুলিই মূলতঃ মতামত উৎপাদন আর প্রচার ঘটায় সমাজে।

এই টেকনিক আমরা ইউজ করতে দেখছিলাম মঈন ইউ আহমেদ/ফখরুদ্দিনের ইন্টেরিম গভর্নমেন্টকে; তারা র‍্যাংগস ভবন ভাঙ্গছিলেন, পুরা ঢাকার খালগুলির ইস্যু ঢাইকা দেওয়া ফুলগাছ লাগাবার হাতির ঝিল প্রকল্প বানাইছিলেন, লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও করছিলেন। তার আগে, এরশাদও জেলা-উপজেলা পরিষদ বানাইছিলেন, বন্যার পানিতে নামা বা গুচ্ছগ্রাম ইত্যাদিও মনে করতে পারেন।

ধরেন, এক লোক দিনের বেলা রাস্তার কাঁটা সাফ করছে–তুলে নিয়ে রাস্তার পাশে রাখছে বা এক জায়গায় করে আগুন দিল; আপনে ভাবলেন ঈমানদার লোক, মানুষের কেমন উপকার করছে–সমাজসেবক। সেই লোকের লিডারশিপে একটা দল রাতের বেলায় দেখলেন আপনের বাসায় ডাকাতি করতে আসছে; আপনে তখন বুঝলেন–পালাইতে হইলে যেন রাস্তার কাঁটার কারণে ধরা না পড়ে সেইটা এনশিওর করতেই দিনের বেলায় পালাবার রাস্তার কাঁটা সরাইছিল ওই লোক।

তখনো কি আপনে রাস্তার কাঁটা সরানোটারে ঈমানের অঙ্গ ভাবছেন?

সেপ্টেম্বর ০৬ ২০১৫

আওয়ামী লীগ যেইভাবে ইসলাম ইস্যুটা ডিল করে সেইটা খুবই মজা লাগে আমার। বাম আর সেক্যুলারদের দাবি কখনোই পূরণ করে নাই আওয়ামী লীগ, বাট বিরোধীদের ব্যাপারে এমনই প্যানিক তাজা রাখতে পারে আওয়ামী লীগ, যে, আওয়ামী লীগের ইসলামী মুভগুলিকে বাম আর সেক্যুলাররা আওয়ামী লীগের বলে ভাবতেই পারে না, ভাবতে থাকে ওইগুলি আওয়ামী লীগের কোরের পার্ট না, সাময়িক কৌশল মাত্র, আওয়ামী লীগের ভিতরে ঘাপটি মাইরা থাকা কোন অ-আওয়ামী শক্তি ওইগুলি ঘটাইতাছে। ফলে, ওই বাম আর সেক্যুলাররা আওয়ামী লীগরে আওয়ামী লীগের চাইতে সেক্যুলার ভাবতে থাকে–খুবই ভুলভাবে, এমন কিছু আওয়ামী লীগের কাছে আশা করতে থাকে যেগুলি গোপন বা প্রকাশ্য, ভাবনা বা কামে, এজেন্ডা বা প্রোমিজে কখনোই আওয়ামী লীগে দেখা যায় নাই!

কিছু নজির দিয়া কই বরং; ১৯৭১ সালে বামেরা আওয়ামী লীগের কাছে যেইটা চাইছে আওয়ামী লীগ সেইটা করে নাই আদৌ; ৭১’র কত বছর আগেই ভাসানি পাকিস্তানরে অলাইকুম কইয়া দিছে, বাট ৭১ সালের মার্চেও আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের শাসক হইতে চাইছে; ওদিকে ভারতও তো পাকিস্তান ভাঙতে খাড়াইয়া আছে পাশে, বাট আওয়ামী লিডারশীপ সেপারেটিস্ট হিসাবে দেখাবার কোন সুযোগই দেয় নাই; পাকিস্তান সেনাবাহিনীর টলারেন্সের শেষ সীমায় নিয়া গেছে আওয়ামী লীগ, এইটা কয়, ওইটা কয় বাট কারো হিসাব মতোই স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় নাই আওয়ামী লীগ; এইখানে মজার ব্যাপার আছিল এই যে, ভারত, দেশি বাম-দোস্ত এবং পাকিস্তান–সব পক্ষই চাইছে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়া দিক আওয়ামী লীগ; হ, এমনকি পাকিস্তানীরাও! আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে ২৫ মার্চের রাইতে পাকিস্তান বিশ্ব-জনমতের কাছে ভিলেন হইতো না কোনভাবেই! একই সাথে, ভারত/হিন্দুর দালাল বইলা অভিযোগটাও পোক্ত হইতো আরো!

নিয়ার পাস্টে যদি দেখি আমরা, খেলাফত মজলিশের লগে জোট করলো হাসিনা, বাম-সেক্যুলার সিভিল কালচারীদের সবার মন ভাইঙ্গা গেল, হাসিনা পাত্তাই দিলেন না! এইখানেও মজার ব্যাপার হইলো যে, বিএনপির কাছেও ওইটা আছিল খুবই আন-এক্সপেক্টেড! মানে হইলো, বাম-সেক্যুলার-বিজ্ঞানমনস্ক-সিভিল-কালচারী আর বিএনপি একই জিনিস চাইতাছে আওয়ামী লীগের কাছে, আওয়ামী লীগ সবাইরেই হতাশ কইরা ইসলামী দোস্তি করতাছে! সো ইন্টারেস্টিং।

আরো পরে আসেন, হেফাজতে ইসলামের লগে কঠোর দুশমনী করবে বলে আশা করছিলো বাম-সেক্যুলার-বিজ্ঞানমনস্ক-সিভিল-কালচারী আর বিএনপি–সব পক্ষই; বিএনপি তাইলে মুভমেন্টটা আরেকটু জমাইতে পারে; সেক্যুলারদের ব্লাডের পিপাসা মিটতেও পারতো তাতে; বা ধরেন, সেক্যুলারদের অপমান হজম করতে হইলো আসলে–সেক্যুলারদের হুশিয়ারি দিল আওয়ামী লীগ, সীমা লংঘন না করতে, সমঝোতা কইরা ফেললো হেফাজতে ইসলামের লগে; হতাশ হইলো সব পক্ষই!

এখন দেখা যাইতাছে, ওলামা লীগ পাওলী দামের বাংলাদেশে আসা ঠেকাইতে চাইতাছে; বাম এবং সেক্যুলাররা আনইজি ফিল করা শুরু করছে এতে, ওলামা লীগ লইয়া কিছু মশকরাও করবে, আওয়ামী লীগের একটা কৌশল ভাববে বড়জোর, এইটাই যে আওয়ামী লীগ সেইটা ভাবতে রাজি হইবেই না; তাইলে যে, ড. জাফরের মতো সুইসাইড করার ইচ্ছা জাগা ছাড়া উপায় পাইবে না; কেননা, বিএনপি প্যানিক আছে এনাদের, বিএনপি’র চাইতে আওয়ামী লীগরে ভালো ভাবতে না পারলে আরাম পায় না এনারা!

ওদিকে, যা যা জামাত বা বিএনপি কইরা আওয়ামী লীগ বিরোধী জনমতরে জোরদার মুভমেন্টে নেবার ট্রাই করতে পারতো সেসব ইস্যু আওয়ামী লীগের উইংগুলি দখলে নিয়া নিতাছে! বিএনপি এখন কি করবে? ভারত আর ইউএসএ ইম্পেরিয়ালিজম বিরোধী ইস্যু লইয়া মুভমেন্ট করবে? তাইলে কোনদিন কি পাওয়ারে যাইতে পারবে বিএনপি!

সো ইন্টারেস্টিং আওয়ামী লীগ; এগুলি তারা শিখছে সেই পাকিস্তান আমলে থাকতে থাকতেই; নাম থেকে মুসলিম বাদ দেবার পরেও ইসলাম বিরোধী বলে মুসলীম লীগ-জামাতের সকল প্রচারকে সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারছিলো তখনকার আওয়ামী লীগ; একই সাথে, স্রেফ ঐ মুসলীম শব্দটা ফালাইয়া দিয়াই সেক্যুলার বলে বিলিভেবল হইতে পারছিল বাম-সেক্যুলারদের কাছে!

জুলাই ১৯, ২০১৬

হুমায়ুন ‘তুই রাজাকার’ শিখাইছেন, এইটা নাকি মুখ বন্ধ রাখতে হবার কালে 🙂! ব্যাপারগুলি একটু মিলাইয়া দেখলে আপনেও হাসবেন।

ঐটা কি আদৌ মুখ বন্ধ রাখার কাল আছিল? দেখা যাইতাছে, হুমায়ুন এরশাদ আমলে বাংলা একাডেমি প্রাইজ পাইছেন, তারপরে সেই আমলেই তো ‘তুই রাজাকার’ কইছেন বিটিভিতে, (নাকি পরের বিএনপি আমলে!)। তাতে কিছু কি হইছিল হুমায়ুনের? হইছে তো! ১৯৯৪ সালেই তো দেখি একুশে প্রাইজ পাইছেন, সরকারি প্রাইজ–বিএনপি আমলে যারা নাকি জামাতের/রাজাকারের দোস্ত! হুমায়ুনের দেখি প্রায় সব প্রাইজই এরশাদ-খালেদা আমলে!

‘তুই রাজাকার’ কইয়া যদি স্টেট প্রাইজ পাওয়া গেল তাইলে সেই কালটারে কেমনে ঐ ব্যাপারে মুখ বন্ধ রাখার কাল কইছেন!

তাইলে যারা মুখ বন্ধ রাখছেন তারা বাই চয়েস বন্ধ রাখছেন, সরকারি বাধার কারণে না! বরং সরকার তার বিটিভিতে সেই স্পেস দিতো, কইলে প্রাইজও দিতো! এখনই বরং কত কত আত্মীয়রে রাজাকার কইতে পারেন না আপনে…:)। ৭৫ আগস্টের পরেও এমনই চুপচাপ থাকছেন ওনারা, মোশতাকের মন্ত্রি হইছেন, বেয়াই-বেয়াইন বানাইছেন। এগুলি খারাপও না, ক্রিমিনাল না হইলে তাগো একঘরে করাটা ডেমোক্রেটিক না। তবে, যেই কাল যেমন আছিল সেইটা প্রোপাগান্ডার বাইরে আইতে না পারলে বুঝবেন না আপনে 🙂!

—–+++++++++++
হুমায়ূন আহমেদ দীর্ঘ চার দশকের সাহিত্যজীবনে বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে একুশে পদক (১৯৯৪), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), মাইকেল মধুসূদন দত্ত পুরস্কার (১৯৮৭), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) ইত্যাদি।

আগস্ট ৩০, ২০১৬

বাংলাদেশের ‘কনসাস’ সিভিল সোসাইটিতে সবচে রেসপেক্টেড পলিটিক্যাল পজিশনের নাম দিতে হয় ‘তাজউদ্দিন সিনড্রোম’! মানে হইলো, আপনের আপত্তি হইলে তাজউদ্দিন হইয়া যান, দলের ভিতর একটু ট্রাই করেন, পরে গোস্বা করেন, বইসা পড়েন চুপচাপ।

এই সিভিল সোসাইটি এখনো তাজউদ্দিন থেকে এমনকি মমতা ব্যানার্জি হওয়ার তরিকাও শেখে নাই, গুরুত্বই বুঝতে পারে নাই!