রক মনু

বিয়িং এন্টি-ইন্ডিয়ান: দুইদিন ধইরা আমার গভীর অসুখ

১. কোলকাতার ‘বয়কট মাইলস্’ লইয়া আমি খুব খুশি; যারা কোলকাতা যান-টান তারা কি কি শর্তে যাইতেছেন সেগুলি ক্লিয়ার হইলো না!

২. being indian is a graduation program on hate.

-------------------------

৩. অনেকে মনে করেন, ৭১ সালে কোলকাতা খুব হসপিটাবল আছিল, এইটা হাছা কথাই–কেননা, দিল্লীর তেমনটাই অর্ডার আছিল।

ফাইট ব্যাক করার যখন কোনই পসিবিলিটি থাকে না, পুরানা বনেদি তখন নতুন বনেদির কুত্তা হইয়া ওঠে। ফর্মার ক্যাপিটাল কোলকাতার ওবিডিয়েন্স এতটাই যে, দিল্লী খুশি হবে ভাইবাও কিছু কাম করে তারা, যদিও কোলকাতার সেইসব ঘটনা দিল্লীর ডেস্কে নাভির ময়লার মতো থাকতে থাকে নজরের বাইরে, পরে ক্লিনলিনেসের পিছা সেগুলিরে ফালাইয়া দেয়।

ইংরাজের হ্যাপী কেরানির কাছে এরচে বেশি দেমাগ আশা করা যায় না।

৪. being anti-indian is as hard as living outside israel. indian Dalits are doing this hard work even in their deepest sleep.

৫. call her ‘mother india’, at the same time think that she could not give birth ur color and u r some migrated aryans so that u can claim yourselves as true indians.

৬. কোলকাতা যদি মাফ চাইয়া মাইলস্-কে আবার দাওয়াত করে তাইলে বুঝবেন দিল্লি প্রেশার দিছে, মাইলস্ যদি তখন যায় তাইলে বুঝবেন ঢাকা প্রেশার দিছে যাইতে।

they r partners, they need this forced intercourse to hide the rape.

৭. দিল্লি যখন ভারতের রাজধানী কোলকাতার থেকে নিয়া গেল, কোলকাতা তখন গাইলো, ‘চরণ ধরিতে দিও গো আমায়, নিও না সরায়ে…’; আর ভারত যখন নদীতে বাণ মারে, দাবি গাইলো ঢাকা, ‘ফিরিয়ে দাও আমারি প্রেম, তুমি ফিরিয়ে দাও…’।

এরে কয় ভ্যারাইটিজ অব হিউম্যান মাইন্ডস্…

৮. ঢালিউডবিরোধী একটা সিনেমা মুভমেন্ট আছে ঢাকায়, এগো ফিল্ম এপ্রিসিয়েশনের সবচে বড় দিক হইলো, ‘কম্পারেটিভ এক্টিং’ এবং এগো কম্পারেটিভ এক্টিং লইয়া লেকচারে ধরেন পেনেলোপ ক্রুজ আর সুবর্ণা মুস্তফার এক্টিং লইয়া আলাপ চলতাছে, ওনারা ডিসিশন নেবেন, সুবর্ণার এক্টিং বেটার, কারণ ওনার উচ্চারণ ‘ভালো’।

পি/এস: আচ্ছা, সুবর্ণা নামটা কিন্তু ট্রাম্প বেশ পছন্দ করবে, রেসিস্ট আছে।

কুইজ: সুবর্ণা কই শিখলেন উচ্চারণ? ওনার ভোকাল কর্ড কোত্থেকে আমদানি করা?

৯. কোলকাতার ইন্ডিয়ান হইয়া ওঠা কইলে কি বুঝবেন?

বাংলায় হিংসার মানে ইংরাজির ‘জেলাসি’ হইলেও কোলকাতা বুঝবে ‘ভায়োলেন্স’ হিসাবে, অহিংস মুভমেন্ট করতে চাইবে, তারপর কারো প্রতি হিংসা হইলে ভায়োলেন্স শুরু করবে।

 ৩-৪ আগস্ট ২০১৬, আমার দুই দিনের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে

নোট: ইংরাজিতে ভুল পাইলে মাফ করার দরকার নাই, বাংলাদেশি ইংরাজি ভাবলেই হবে।