ইতিহাস দিয়া ইতিহাস পড়া: মীর কাসিম দিয়া জিয়া

“সেনাবাহিনীতে জিয়া তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে…”–এইটা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর লইয়া আলাপের একটা কমন প্যাটার্ন; বিএনপি’র এখনকার মর মর দশারো মজা হইলো বাংলাদেশের রাজনীতি এখনো বিএনপি বা এন্টি-বিএনপি দিয়া করা লাগতাছে; জিয়ার পরে আওয়ামী লীগের খাড়াইতে থাকা জিয়ারে গালাগালি কইরাই ঘটে; আবার বাম ঘরানার লোকেরা–সিপিবি, জাসদেরা ইতিহাসে নিজ নিজ পাপ-ফেইল্যুর ঢাকেন জিয়ারে গালাগালি কইরা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সিপিবি হইলো পাপী; কেননা, সিপিবির বুদ্ধি আর ইন্টেলেকচুয়াল সাপোর্ট লইয়া ১৯৭৫ সালে ডেমোক্রেটিক স্টেটে সরকার নিজেই একটা ক্যু কইরা ক্যাপিটালিজম থেকে সমাজতন্ত্রে হাঁটা শুরু করে। সিপিবি’রা লগে আছে বইলাই জাসদ ইত্যাদি দলগুলিরে ব্যান করা পসিবল হয়, সিপিবি আওয়ামী লীগের একটা প্ল্যাকার্ড তখন–এই দেখো, মার্ক্সবাদের গোড়া আমার লগে, সো জাসদেরা হইলো হঠকারী, তাই ব্যান কইরা দিলাম। বিএনপি’র লগের জামাত থাকায় পরে আওয়ামী লীগ যেমন একটা ইসলামী প্যাচে পইড়া খেলাফত মজলিসের লগে নির্বাচনী অ্যালায়েন্স বানায় সিপিবির কাছে আওয়ামী লীগের আশা তেমনি–সিপিবি হইলো ১৯৭৫ সালের খেলাফত মজলিস।

-------------------------

জাসদ রাজনৈতিক পাপী নয় তখন, কতক ফেইলড কওয়া যায়; বাট সেইটাও কঠিন, জাসদ প্রাইমারিলি ভিকটিম। ভাসানী ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের ইলেকশন বয়কট করায় পরের বাংলাদেশ একটা বিরোধীদল না থাকা সরকার/পার্লামেন্ট পায়; একটা মাত্র পলিটিক্যাল পার্টি হওয়া, নিজেরে জনগণের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি ভাবার হ্যাবিট তো আওয়ামী লীগের ৭০’র নির্বাচনের পরেই হইছে, ফ্রিডম ফাইটের ভিতর দিয়া সেইটা আরো পোক্ত হইছে; সো, একচেটিয়ার টেস্ট পাওয়া আর লোভ আওয়ামী লীগের হইছে ৭১’র শুরুতেই, ভাসানীর বেকুবির ভিতর দিয়া; ৭১-৭৫ স্রেফ ডেমোক্রেসির অভিনয়, বাকশাল হইলো অভিনয় করতে আর ভালো না লাগা; আর সিপিবি যেহেতু আছে, এইবার তো আসল চেহারায় ফেরাই যায়।

জাসদ হইলো, এমন কনটেক্সটে ডেভলাপড হইতে থাকা নয়া বাংলাদেশের বিরোধীদল, জাসদের বিরোধীদল হওয়া মানে সিবিপি’র নাই হইয়া যাওয়া; সো, বাকশালে সিপিবির ধান্দা হইলো জাসদ খুন, এইভাবেই জাসদ ভিকটিম হইলো। এর বাইরে জাসদ আওয়ামী লীগ মারছে, লীগ জাসদ মারছে–বাংলাদেশে এমন পলিটিক্যাল খুনাখুনি তো একটা হামেশা ব্যাপার, বিরোধীদল অমনেই ডেভলাপড হবার কথা। এইজন্যই কইলাম, জাসদরে ফেইলড বলাও কঠিন, সে হইলো ভিকটিম; পরের জাসদ জিয়ারে গালি দেয় আসলে এরশাদ বা আওয়ামী লীগের দালালী জায়েজ করার জন্য।

এইখানে তাহের লইয়া দুইটা কথা ডিমান্ড করে; ৭ নভেম্বর তাহের মুভ করেন জাসদ পলিটব্যুরোর ডিসিশন ডিস-অনার/অমান্য কইরা; তাহের সামরিক লোক, ওইটা তাহেরের সামরিক ক্যু জাসদে। লৌহমানব আইউব থেকে পরের জিয়া বা এরশাদের সামরিকতায় যারা মুক্তি দ্যাখেন, ভক্তি করেন তাগো মতো লোকেরাই তাহেরের ভক্ত; এইটা সামরিকতায় ভক্তি, বিপ্লবে বা মার্ক্সবাদে ততো না; আরো মনে করা দরকার এইখানে, চে গুয়েভারাও সামরিক। বিপরীতে, লেনিন বা মাও আছিলেন বহুদিনের পলিটিশিয়ান; বিপ্লব সশস্ত্র হইলেই সেইটা সামরিক হয় না, আমাদের ফ্রিডম ফাইটও সশস্ত্র বাট এইটা সিভিল। বাংলাদেশের পয়দাই হইছে সামরিকতা ডিনাই কইরা। তাহেরের সামরিকতা খুবই খেয়াল করার ব্যাপার; সিভিল-সামরিক ভাগাভাগিটা হইলো–বাচ্চাদের বুঝাইয়া পড়ানো আর পিটাইয়া পড়ানোর তফাতের মতো। একই গোল হইলেই সবাইরে একভাবে বিচার করা ভুল; আপনি হয় টর্চারের রাস্তায় গেলেন বা ডায়ালেক্টিক্যাল সমঝোতার ভিতর দিয়া ঝগড়া করতে করতে আগাইলেন–দুইটার ফারাক আছে এবং সেইটা হিউজ। ডায়ালেক্টিকস নামে মার্ক্সবাদের গোড়ার জিনিসটা ভুইলা তাহের তাড়াহুড়া আর টর্চারের রাস্তায় গেছেন, সামরিক ক্যু করছেন জাসদে; এর সরাসরি ফল হইলো, জাসদের ডেথ এবং জিয়া নামের আরেক সামরিকরে পাওয়া। মাও-লেলিনের সবুর আছিলো না তাহেরের; আজকের তাহের ভক্তদের ভিতরও এই সবুর না থাকা, এই তাড়াহুড়া পাইবেন মে বি; ভায়োলেন্স এবং হতাশা–এই দুই জিনিস ছাড়া বিশেষ কিছু পাবার নাই এদের কাছে।

তো, আলাপটা শুরু করছিলাম জিয়ারে গালাগালির ব্যাপার দিয়া; খেয়াল করেন, সেনাবাহিনীতে নিজের জনপ্রিয়তা জিয়া যে কামে লাগাইলেন সেই জনপ্রিয়তা যেনবা এমনি এমনি হইছে, জনপ্রিয়তা যেন বা কোন একটা গুণের ইন্ডিকেশন নয়; এই গালিবাজরাই আবার কইবে, “বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা তার শত্রুরাও স্বীকার করবে…”, এইখানে ঠিকই কোন না কোন গুণের সার্টেইন ইন্ডিকেশন আছে। এই কন্ট্রাডিকশনের পয়দা হয় ওনারা নেসেসারিলি আওয়ামী লীগ বা সিপিবি বা জাসদের লোক বা তাহের ভক্ত হওয়ায়; এদের নজর দিয়া বাংলাদেশের ইতিহাস বুঝলে চলবে না আমাদের।

জিয়া সামরিক লোক, নো ডাউট; আরো বড়ো ব্যাপার হইলো, সে ক্যাপিটালিস্ট; সো, সে তো নেসেসারিলি মার্ক্সবাদের ডেভলাপমেন্টে হেল্প করবে না; জিয়ার কাছে জাসদের চাইতে আওয়ামী লীগ নিরাপদ; তাই জিয়ার টাইমে আওয়ামী লীগ আবার খাড়া হওয়া শুরু করছে, শেখ হাসিনা দেশে আসা নিরাপদ ভাবতে পারছেন। আপনে যদি মার্ক্সিস্ট হন তাইলে একটা ক্যাপিটালিস্ট আদৌ দেশপ্রেমিক হইতে পারে কিনা–এই সন্দেহ হইতেই পারে আপনার; বাট খেয়াল কইরেন, আপনে মে বি ফিউডাল লর্ড বঙ্গবন্ধুকে দেশপ্রেমিক ভাবতে পারছেন; কলোনিয়াল দালাল বিদ্যাসাগর বা রবীন্দ্রনাথকেও দেশপ্রেমিক ভাবতে পারছেন, ক্যাপিটালিস্ট মুনীর চৌধুরী বা জহির রায়হানরে কী ভাবেন খেয়াল করেন; তাজউদ্দিনের বামটান আছিল, বাকি ৩ জাতীয় নেতাকে কি আপনে দেশপ্রেমিক ভাবতে পারছেন? এনারা কি ক্যাপিটালিস্ট এবং জাসদবিরোধী আওয়ামী লীগ আছিলো না? খালেদ মোশাররফ, জেনারেল মঞ্জুর? ওসমানী? কী ভাবেন এদের? সো, ক্যাপিটালিস্ট হইলেই কিন্তু প্রোবলেম হইতাছে না আপনার দেশপ্রেমিক/প্যাট্রিয়ট ভাবতে; আর ক্যাপিটালিস্ট যেহেতু, এনারা তো জাসদ বা সিরাজ সিকদার বিরোধী হবেই; জাসদ বা সিরাজও তো এমনদের ধইরা ধইরা খুন করছে শ্রেণীশত্রু খতমের নামে; সো, ক্যাপিটালিস্ট এবং তাহের/জাসদ বিরোধী হবার কারণে জিয়ারে গালি দিতে পারেন না কিন্তু আপনে, জিয়ারে প্যাট্রিয়ট ভাবতেও প্রোবলেম হবার কথা না আপনার।

আপনে মে বি এখন জামাত/রাজাকারদের রিভাইভালের ব্যাপারে কইবেন; এইজন্য, জিয়ারে গালি দিতেই চাইবেন, প্যাট্রিয়ট ভাবতেও প্রোবলেম ফিল করবেন; বাট, দ্যাখেন–জিয়া পাওয়ারে আসার আগেই, ১৫ আগস্ট খুনের লগেই কিন্তু পাকিস্তানপন্থিরা রিভাইভ করছে; আপনে কিন্তু বলেনও যে, পাকিস্তানপন্থিরাই ওই খুন করছিলো, মোশতাক পাকিস্তানপন্থি, ফ্রিডম ফাইট চলার টাইমেই মোশতাক ষড়যন্ত্র করছিলো; বাস্তবিকই তো, ১৫ আগস্ট খুনের লগে লগেই কিন্তু পাকিস্তানের লগে আবার কনফেডারেশন হবার দশায় গেছিল কিন্তু বাংলাদেশ; এইটা কিন্তু আপনের প্রিয় জিয়া বিরোধী ইতিহাসও কয়; তাইলে কন তো, এইটা ঠেকাইলো কেডা? তখন আওয়ামী লীগ কই? সিপিবি? ভাসানী? জাসদ? ওসমানী? ফ্রিডম ফাইটাররা? আপনে যদি জিয়ারে বাংলাদেশপন্থি ভাবতে রাজি না হন তাইলে পাওয়ারের সবগুলি পয়েন্টেই তো পাকিস্তানপন্থিরা আছিলো, মার্কিন-চীনারাও তো এইটা চাইবার কথা; কে ঠেকাইলো, জবাব দেন।

ইতিহাসের এই পয়েন্টের ডিডাকশনের ভিতর দিয়া দ্যাখেন, বাংলাদেশ যে বাংলাদেশ থাকলো–পাকিস্তানের লগে কনফেডারেশন হইলো না, এইটাই জিয়ার কাম; সেইটা সে নিজে সামরিক একনায়ক হইতে চাইছে বইলা হৌক বা না হৌক। তাইলে এইবার আমারে আপনে জিগাইতে পারেন, জামাত বা বাংলাদেশবিরোধী পলিটিক্যাল পার্টির কথা। জিগাইতে পারেন কন্সটিটিউশনে বিসমিল্লাহ্ যোগ হবার কথা। নো প্রোব। পড়েন।

এইখানে, ইতিহাস থেকে আরেকজনরে টানি, বুঝতে সুবিধা হবে আপনার, বা আমার বুঝাইতে। সিরাজদ্দৌলা-মীর জাফরের কারণে নিশ্চই মীর কাসিমের কথা মনেই পড়ে না আপনের! মীর কাসেমরে ইংরাজই বসাইছিল মসনদে, হিউজ উপঢৌকনও ইংরাজদের দিছে মীর কাসিম। বাট দ্যাখেন, পরে মীর কাসিম ট্রাই করছে, ইংরাজদের বাণিজ্য সুবিধা রদ কইরা বাঙালি/ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কাতারে নেবার, স্টেট-পলিসিতে ইংরাজের নাক বরদাস্ত করতে রাজি হয় নাই আর, ট্রাই করছে সার্বভৌম হবার; পারে নাই, যুদ্ধ কইরা হারছে, নবাবী/মসনদ হারাইছে। ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে মোঘল ২নম্বর শাহ আলম শুরুতে মীর কাসিম/সুজাউদ্দৌলার লগে যোগ দিলেও পরে আবার ইংরাজের কোলে উইঠা মোঘল সাম্রাজ্য (!) টিকাইছেন আরো ১০০ বছর। মীর কাসিমের কী হইছে জানা যায় না আর।

বহু দিক দিয়াই মীর কাসিমের লগে জিয়ার মিল পাইবেন আপনে; তফাত এই যে, জিয়া খুন হইছেন, বাট সফল হইছেন। ৭৫ সালের ১৫ আগস্টে যেই বাংলাদেশবিরোধীরা দেখা দিছে বাংলাদেশে, বিপুল নাক জাগাইছে স্টেটের প্রতিটা পয়েন্টে জিয়া তাগো আবার খোয়াড়ে ঢুকাইতে পারেন নাই, বাট তাগো চাপে পাকিস্তানে ফেরতও যান নাই; বরং কন্সটিটিউশনে বিসমিল্লাহ যোগ কইরা মীর কাসিমের মতো উপঢৌকন/ঘুষ দিছেন, বিনিময়ে জামাতদের কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি নিছেন; এদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অলরেডি আধমরা আওয়ামী লীগরে পুরা না মাইরা বরং আবার খাড়া হবার সিস্টেম কইরা দিছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন। এক্সাম্পল ছাড়া যারা বোঝেন না তাগো জন্য একটা এক্সাম্পল দেই; খালেদ মোশাররফ আর শাফায়েত জামিল যেই অভ্যুত্থানটা করছিলেন ৩ নভেম্বর সেইটা শেষ হইলো ৭ তারিখ, খুন হইলেন খালেদ তাহেরদের হাতে, পালাইলেন শাফায়েত জামিল; ধরা পড়লেন পরে, জিয়া তারে মারে নাই, এমনকি কোর্ট মার্শালই হয় নাই। এখন কইবেন, তাহের খুনের কথা।

৭ নভেম্বর তাহের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্মচারী, ওইদিন তিনি যতগুলি খুন করছেন তাতে যেকোন আদালতে তাহেরের ফাঁসি হবার কথা; বিপ্লব সফল হইলে বা দেশে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট না থাকলেই কেবল তাহেরের ফাঁসি না হবার কথা। এই যে, কয় বছর আগে বিডিআর বিদ্রোহ হইলো সেই মামলার আসামীদের ফাঁসি হয় নাই? ইভেন বিচারের আগেই তো অগুনতি মরছে, টর্চার্ড হইছে, হাড্ডি ভাইঙ্গা দিছে; এই বিডিআরদের লগে যা যা করা হইছে তার চাইতে খুবই কম করা হইছে তাহের ইনুদের লগে। কোর্ট মার্শালে তাহেরের ঐ ফাঁসি খুবই সিম্বলিক ব্যাপার; এই ফাঁসির ভিতর দিয়াই জিয়া ইনু বা তাহেরের ভাই আনোয়ার হোসেনরে বাঁচাইছেন; নাইলে এনাদের বিচার বা বিচার বাদেই খুন হবার কথা তখনকার সেনাবাহিনীর হাতে।

জিয়া নামের একটা সামরিক ঘটনা বাংলাদেশে হবার কথা না; কেননা, আইউব/ইয়াহিয়া পার হইয়া বাংলাদেশ হইছে; ফলে জিয়া বা পরের এরশাদ পয়দা হইতে পারার কথা না এই দেশে। হইতে যে পারলো সেইটা আওয়ামী লীগ আর ভাসানীর ফেইল্যুরের ভিতর দিয়াই; ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন না কইরা, ৭০’র নির্বাচন না কইরা পরের ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের এফেক্টিভ বিরোধীদল না হওয়াটারেই কইলাম ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন না করা; এর ফলেই আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাচারি হইয়া উঠতে পারছিল, একচেটিয়ার মজা পাইয়া গোশতের টেস্ট পাওয়া বাঘের মতো হইয়া উঠতে পারছিলো; ৬৯ সালেই জনগণ ভাসানীরে দায়িত্ব দিছিল, ভাসানী জনগণরে অবহেলা/অপমান করলেন। পাপী ভাসানীর এই বেঈমানীই বাকশালের হিস্ট্রিক্যাল কন্ডিশন, অলরেডি অটোক্রেটিক আওয়ামী লীগের কাছে তাই বিরোধীদল হিসাবে ডেভলাপড হইতে থাকা জাসদ অতো বড়ো জ্বালা, একদমই টলারেবল না; সো, খতম ছাড়া রাস্তা নাই অটোক্রেসির। এইখানেই সিপিবির দালালি।

১৫ আগস্টের খুন না হইলে মে বি আরো কঠিন এক পলিটিক্যাল জার্নির ভিতর দিয়া বাংলাদেশ সিভিলই থাকতে পারতো; তা হয় নাই, তিনি মরলেন। এবং আওয়ামী লীগ-ভাসানী-সিপিবি’র এই বিপুল পাপ, আকাম আর জনগণের লগে বেঈমানীর কারণেই জিয়ার মতো এক সামরিকের কাছেও বাংলাদেশের কতক গ্রেটফুল থাকা লাগে। সো স্যাড।

৮ নভেম্বর ২০১৫

  • shamim

    its too early to be declared great full and nothing meant to be so sad as well……. still a very good erudite pursuit keep on!

  • Zahidul Islam

    রক মনুর সম্ভবত সবচাইতে কঠিন বিষয়ের সফল ও সেয়ানা (এ্যাবল অর্থে) বিশ্লেষণ। দলকানারা দূরে থাকুন।

    অভিনন্দন

  • Ashique Reja

    বাংলাদেশের কঠিনতম সময়ের জিলিপি’র পরিচিত প্যাঁচ এড়িয়ে চমতকার বিশ্লেষণ। জিয়ার লিগেসি নিয়া সবচেয়ে ভালো লেখা কিনা তা নিয়া তর্ক করা যেতে পারে তবে…খাল কাটা আর জামাতি কুমির আনার উপরি তলের তর্কের তলাকার বাংলাদেশ-ওয়ালা জিয়ার আবিস্কার ভালো লাগলো!