রক মনু

জীবনানন্দের সাধ

মানুষের লালসার শেষ নেই; উত্তেজনা ছাড়া কোনো দিন ঋতুক্ষণ অবৈধ সঙ্গম ছাড়া সুখ অপরের মুখ ম্লান করে দেওয়া ছাড়া প্রিয় সাধ নেই। –জীবনানন্দ দাশ ————————- _——————- জনাব দাশের কোন কবিতায় রেপে আপত্তি দেখছি বইলা মনে পড়ে না। ওনার আপত্তি ‘অবৈধ সঙ্গম’-এ :)। অবৈধ যে কোনটারে কইলেন বোঝা শক্ত; ওনার বরিশাল-কোলকাতা সমাজ হিসাবে মনে হয় বিয়ার …

রক মনু

কদ্দূর পাবলিক হইতে পারা উচিত?

হোয়াইট ভালো লাগে, সারা জিন্দেগি হোয়াইট পার্টনার লইয়া কাটাইছেন, এমন কেউ রেসিজম বিরোধী পলিটিক্স করলে কি কোন হিপোক্রিসি হয়? না। পার্সোনাল ইজ পলিটিক্যাল, কিন্তু প্রাইভেট আর পাবলিক স্পেসে পলিটিক্সের ডাইমেনশনে বহু তফাত। সমাজ যদি মানুষকে দখল কইরা থাকে, তবু সমাজে থাকা মানে একটা চুক্তির ভিতরে থাকা। প্রাইভেট থিকা আপনে যদি নিজের পজিশন লইয়া পাবলিকে যান …

আর্ট কালচারের দোস্ত-দুশমন

আর্ট কালচারের দোস্ত-দুশমন

১৯৬০-৭০ পূব পাকিস্তানে কালচারাল মুভমেন্ট করছেন বহু আর্টিস্ট-কবি-লেখক। বাংলাদেশ তাগো ড্রিম প্রজেক্ট। তাইলে পোস্ট ফ্রিডমওয়ার তাগো ভাবনা কেমন খাড়াইলো? বাংলাদেশের পয়দা হইলো তো, তাইলে স্টেট/সরকার তো আর দুশমন থাকলো না, নিজেরাই তো সরকার! তখন, তাগো আর্টে ভিলেন কে হবে? ————————- বাংলাদেশের আর্ট-কালচার ভালো কইরা খেয়াল করলে দেখবেন, নতুন দুশমন হইলো সমাজ আর জনগণ! সমাজ-সচেতন আর্টে …

রক মনু

সো লং

রোহিঙ্গা ইস্যুটারে এখন ‘হিউম্যান ক্রাইসিস’ হিসাবে দেখাইতে চায় দেশের লিবারাল/মডার্ন হিন্দু-মোসলমান। মানে হইলো, রোহিঙ্গাদের পরিচয় হিসাবে মায়ানমারের দেওয়া ‘বাঙালি’ বা সামনে আসা আরেকটা পরিচয় ‘মোসলমান’–দুইটারেই বাতিল কইরা ‘মানুষ’ পরিচয়টারে উপ্রে তুলতে চায়। পরিচয়ের এইসব পলিটিক্স মারামারির নয়া ডাইমেনশন যোগান দেয়, রিস্কি, কিন্তু এই পলিটিক্সটা আছে, চাই বা না চাই, এরে এড়াইয়া থাকার উপায় নাই। ————————- …

রক মনু

ড. হুমায়ুন লইয়া ভাবনার কয়েক টুকরা

৩০ মার্চ ২০১৭ ড. আজাদ লিখছেন, ‘যে বই তোমায় অন্ধ করে…’, তাঁর মুরিদরা কি তাইলে নিচের কবিতার বইটা পড়বে, জায়েজ হবে তাগো জন্য? কবিতায় দেখেন, ড. আজাদ জানাইছেন–তার অনেকবার জনম হইছে; এই ভাবনা তো উনি এবং তার মুরিদের বিজ্ঞানের বাইরে, তার উপর মইরা আবার জনমের এই আইডিয়ার ডাইরেক্ট গোড়া হিন্দুধর্মে! এমন সব ধর্মের বইই তো …

আমাদের ডাক্তারেরা

আমাদের ডাক্তারেরা

দেশের প্রফেশনগুলা ঠিকঠাক খেয়াল করলে দেখবেন, ডাক্তারদের ভিতর মিলমিশ সবচে বেশি। এবং এই মিলমিশ জনতার জন্য বিরাট হেলথ-থ্রেট! ব্যবসার লোকদের দেখেন, দুই দলের দুশমনি পাইবেন, মাস্টাররা একজন আরেকজনরে পারলে খাইয়া ফেলে, পলিটিক্সের লোকদের দেখেন জেল-ফাঁসি হরদম দিতে থাকে, ক্রসফায়ার চলতেছে! লইয়াররাও ঝগড়াফ্যাসাদ করে। কিন্তু ডাক্তাররা? ————————- শোনা যায়, অনেক অনেক সৎ ডাক্তার নাকি আছে। কিন্তু …