শাহবাগ কই যায়?

শাহবাগ কই যায়?

“পাকিস্তান ডেজার্ট কি মাছলি” বা “ইন্ডিয়ান জনতা কি হনুমান” নামে দল বানাইয়া বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে কি? যাবে না। নাকি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে “ইন্ডিয়ান জনতা কি হনুমান”  দলটাকে রাজনীতি করতে দেবে আর বিএনপি থাকলে “পাকিস্তান ডেজার্ট কি মাছলি”? না। এই এই নামের কোন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। ইস্যুটা এই না যে …

আমরা ক্রুদ্ধ

আমরা ক্রুদ্ধ

অজৈব অপদার্থ হিসাবে এবং লিভিং এনটিটি নয় বলে মিডিয়ার ফিলিং থাকার উপায় নাই; কিন্তু মাঝে মাঝেই ফিলিং দেখায় মিডিয়া। যেমন, ‘আমরা শোকাহত’—লেখা একটা কালো ব্যানার দেখা যায় প্রায়ই। আরো কিছু ফিলিং পাওয়া যায় মাঝে মাঝে। ‘আমরা আনন্দিত’, ‘আমরা ব্যথিত’ ইত্যাদি। তাই রানা প্লাজা ধ্বসের এক বছর পূরণের দিনে কালো রং দিয়া মিডিয়ার শোক প্রকাশ করাটা …

কর্ণেল তাহেরের জেনুইন শিষ্য জিয়াউর রহমান

কর্ণেল তাহেরের জেনুইন শিষ্য জিয়াউর রহমান

লোকে ভাবেন ৭৫’র ১৫ আগস্ট বাংলাদেশে একটা সামরিক অভ্যুত্থান হলো। এটা ভুল; ১৫ আগস্ট দেশের প্রেসিডেন্টকে খুন করা হইলো মাত্র; তিনি খুন হইলেন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের হাতে। সিভিল পলিটিশিয়ান খন্দকার মোশতাক নতুন প্রেসিডেন্ট হইলেন। ক্যান্টনমেন্ট শাসন করবে বাংলাদেশ—এমন কোন চিন্তা এই খুনীদের মাঝে দেখা যায় নাই। তখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানতো, দেশের বৈধ শাসক হলেন …

সহমরণ হতে সতীদাহ

সহমরণ হতে সতীদাহ

১৮১৮—১৯, রামমোহন রায় দুটি বই পাবলিশ করেন: ক. সহমরণ বিষয় ।। প্রবর্ত্তক ও নিবর্ত্তকের সম্বাদ এবং খ. সহমরণ বিষয়ে ।। প্রবর্ত্তক ও নিবর্ত্তকের দ্বিতীয় সম্বাদ। দশ বছর পরে, ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক (লর্ড: ১৮২৮–৩৫) বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে সতীদাহ নিষিদ্ধ করেন। এর আগে রামমোহন একটি আবেদন করছিলেন; সেই আবেদনে সাঁড়া দিয়েই সতীদাহ নিষিদ্ধ করা …

টাকা মারার বলিউড স্টাইল

টাকা মারার বলিউড স্টাইল

অনিল কাপুরের মতো ঘন গোঁফ নাই ওবায়দুল কাদেরের; তবু নায়কের গোঁফ থাকতে হয়; অন্তত বলিউডি নায়কের গোঁফ থাকা দরকার; গোঁফ-ই নায়কোচিত বলিউডে, অনিল কাপুরের অবদান এটা। আমাদের যোগাযোগমন্ত্রীর আছে অনিল কাপুর সিন্ড্রোম; পাতলা গোঁফ নিয়াই চ্যালেঞ্জটা নিছেন তিনি। হাজি সেলিম এমপি কাদের সাহেবকে বলিউডের ‘নায়ক’-এর সাথে তুলনা করছিলেন। ‘নায়ক’ মানে শিবাজি রাও, মানে অনিল কাপুর, …

চলো যাই মুর্শিদের চরণে

চলো যাই মুর্শিদের চরণে

আমাদের জাতীয় গান আছে; কন্সটিটিউশনে সেটাকে ‘জাতীয় সঙ্গীত’ বলা হয়েছে। আমরা ‘জাতীয় সঙ্গীত’ গাই; আমাদের সংসদ সদস্যরাও গাইয়া থাকেন; জাতীয় সংসদে কোরাস বানান তাঁরা। সংসদের অধিবেশন উদ্বোধনের আগে গাওয়া হয় ‘জাতীয় সঙ্গীত’।ফলে সংসদ সদস্যদের শেখাবার বা ট্রেনিং-এর আনুষ্ঠানিক কোন ব্যবস্থা না থাকলেও গান একটি দরকারি বিষয় আমাদের সংসদে। আমাদের সৌভাগ্য যে, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং …