বাংলাদেশের শাসন এবং রাজনীতি-১**

বাংলাদেশের শাসন এবং রাজনীতি-১**

১৯৬৯ সালে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইউব খানরে ফালাইয়া দেবার আন্দোলন করা রাজনৈতিক দলগুলিই পরের বছরের নির্বাচনে উইনার হলো। বাংলাদেশের ইতিহাসবিদরা সাধারণত ভুট্টোর আইউববিরোধী আন্দোলনের কথা মনে রাখেন না; পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ ও ভাসানী ন্যাপ আর পশ্চিম পাকিস্তানে ভুট্টোর পিপলস্ পার্টি। দুই পাকিস্তানেই জোরদার আন্দোলনে আইউব পড়লেন, আইউবের পড়া মোটেই কেবল পূর্ব পাকিস্তানের আন্দোলনের ফল …

সামরিক অভ্যুত্থান নাকি প্রেসিডেন্ট হত্যা?

সামরিক অভ্যুত্থান নাকি প্রেসিডেন্ট হত্যা?

দেশের প্রেসিডেন্ট খুন হইলেই সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে যায় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পৃথিবীর বহু দেশের প্রেসিডেন্ট খুন হয়েছেন, তাতে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে যায়নি সব দেশেই। খুনটা এমনকি সামরিক বাহিনী করলেও সামরিক অভ্যুত্থান হয় না। কারণ, বিষয়টা সামরিক বনাম বেসামরিক। শাসক ব্যক্তিমাত্র। শাসক খুন হলেই শাসনের উত্খাত হয় না। যেমন: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট খুন …

ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশান

ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশান

“ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশান” আছে এমন একটা দেশে চলেন সবাই; বাট যাবার আগে খোঁজা তো দরকার! খোঁজার সুবিধার জন্য একটু ন্যারো ডাউন কইরা নিতে পারি; ধরলাম, এই জিনিস যেসব দেশের স্বরাষ্ট্রনীতি আর পররাষ্ট্রনীতি জুড়ে আছে, এমনকি এই জিনিস এনফোর্স করতে আর আর দেশে বোমাও মারে যেইসব দেশ–সেসব দেশেই এইটা থাকার সম্ভাবনা সবচে বেশি। ————————- সেগুলির কমন …

পোজ দিতে না বলা মানে পারমিশন না নেওয়া

পোজ দিতে না বলা মানে পারমিশন না নেওয়া

অমি যদি ছবির জন্য পোজ দিতে বলেন, সেইটাই বরং ভালো; এর লগে ইন্টেগ্রেটেড থাকছে তাইলে পারমিশন চাওয়া এবং দেওয়া। বাট পোজ দিতে তো বলতেই হয় না আসলে, পারমিশন চাইলেই পার্সনকে কনসাস করে তোলা হয় ক্যামেরা সম্পর্কে, তিনি তখন এক কনসাস সাবজেক্ট; বিষয় এবং কর্তা–দুই অর্থেই সাবজেক্ট। কনসাস দশায় থাকাটাই পোজ দেওয়া।  বিভিন্ন পক্ষের দাবিতে সবচে …

রক মনু

বাংলাদেশ নিয়া হোপফুল হইয়া উঠবে নাকি আইএস?

বাংলাদেশে আল কায়েদা, তালেবান, আইএস বা মুসলিম ব্রাদারহুডের বিশেষ মনোযোগ ছিলো না; এর একটা কারণ, বাংলাদেশের কাছাকাছিমনা দলগুলি এদের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারে নাই কখনো; বাংলাদেশিদের ব্যাপারে ওরা বেশ হোপলেস থাকার কথা। কারণ? ক. সারা বাংলাদেশে একবার বোমা মারা হইলো; সেটি নিশ্চই বিরাট এবং ডিপ একটা নেটওয়ার্কের সম্ভাবনা দেখায়; কিন্তু তখনকার বিএনপি সরকার কয়েক মাসের …

যতো মরতে থাকবো, থামার সময় ততো আসতে থাকবে

যতো মরতে থাকবো, থামার সময় ততো আসতে থাকবে

এমএসজি: মেসেঞ্জার অফ গড, ভারতে তৈরি একটা সিনেমা যেইটা সেন্সরবোর্ড ছাড়ে নাই ( http://bangla.bdnews24.com/glitz/article911734.bdnews ); মানে পাবলিক ভিউয়িং-এর অনুমতি দেয় নাই। কারণও জানাইছে বোর্ড, যে, এখানে নিজেকে ঈশ্বর হিসেবে উপস্থাপন করেছেন রাম রহিম। এছাড়া নানাবিধ কুসংস্কার এবং অন্ধ বিশ্বাস উঠে এসেছে এই সিনেমায়। দেখা যাইতাছে, যেই বোর্ড কয়দিন আগে ‘পিকে’র ব্যাপারে বেশ কিছু হিন্দু সংগঠনের আপত্তি মানে …